ঢাকা ইপিজেডে অবস্থিত ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিসিএল) ৮২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে ফিরেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পূর্ণ উৎপাদনক্ষমতায় চালু রয়েছে। এর আগে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় ৪ মে থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ১৩ টাকা ২২ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৫ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ৫৫ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড পাওয়ার।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ২২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১৩ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৭ টাকা ২১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ২২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে ইউনাইটেড পাওয়ার।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ টাকা ৮০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৩৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের ১৭০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৮ টাকা ৮০ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ১০ টাকা ২৪ পয়সা।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড পাওয়ারের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫৭৯ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৬৪৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫৭ কোটি ৯৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৭০। এর ৯০ শতাংশ শেয়ারই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক ৪২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।